২০২১ সালের কথা। বাংলাদেশে তখন অনলাইন গেমিং নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছিল, কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি — ইংরেজিতে, বিদেশি পেমেন্ট পদ্ধতিতে, বিদেশি সংস্কৃতির গেমে। একজন বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের পক্ষে সেখানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করা কঠিন ছিল।
সেই সমস্যার সমাধান হিসেবেই hibjaee-র যাত্রা শুরু। লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশিদের জন্য, বাংলাদেশিদের মতো করে একটা গেমিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। যেখানে বিকাশে ডিপোজিট করা যাবে, বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া যাবে, আর পরিচিত থিমের গেম খেলা যাবে।
শুরু থেকে এখন পর্যন্ত
প্রথম দিকে hibjaee-তে মাত্র কয়েকটি গেম ছিল। কিন্তু সদস্যদের ফিডব্যাক শুনে, তাদের প্রয়োজন বুঝে ধীরে ধীরে প্ল্যাটফর্ম বড় হয়েছে। আজ hibjaee-তে ৫০০-র বেশি গেম আছে — স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, স্পোর্টস বেটিং, কার্ড গেম সব মিলিয়ে।
এই তিন বছরে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে পেমেন্ট সেক্টরে। শুরুতে সীমিত অপশন ছিল, এখন বিকাশ, নগদ, রকেট এবং সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফার — সব পদ্ধতিতেই কাজ করা যায়। ডিপোজিট মুহূর্তেই হয়, উইথড্রয়াল সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে।
বাংলাদেশকে কেন্দ্রে রেখে
hibjaee-র প্রতিটি সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের বাস্তবতা মাথায় রাখা হয়। বেশিরভাগ সদস্য মোবাইলে খেলেন — তাই সব গেম মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইনে তৈরি। ইন্টারনেট স্পিড সব সময় দ্রুত থাকে না — তাই লোডিং অপ্টিমাইজ করা হয়েছে। পহেলা বৈশাখ, ঈদ, পূজায় বিশেষ অফার আসে কারণ উৎসব আমাদের জীবনের অংশ।
সুন্দরবন, পদ্মা, মেঘনা, কক্সবাজার — এই নামগুলো গেমে দেখলে একটা আলাদা অনুভূতি হয়। hibjaee চেয়েছে বাংলাদেশের মানুষ যেন গেম খেলার সময় নিজেদের প্রতিফলন দেখতে পান।
"hibjaee তৈরির পেছনে ছিল একটা সহজ প্রশ্ন — বাংলাদেশের মানুষ কেন তাদের নিজস্ব ভাষায়, নিজেদের পেমেন্টে, নিজেদের পরিচিত গেম খেলতে পারবেন না? সেই প্রশ্নের উত্তরই hibjaee।"
— hibjaee প্রতিষ্ঠাতা দলের পক্ষ থেকেদায়িত্বশীল গেমিং আমাদের অগ্রাধিকার
hibjaee বিশ্বাস করে গেমিং বিনোদনের জন্য — চাপের জন্য নয়। তাই প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং দায়িত্বশীল গেমিং সংক্রান্ত তথ্য সহজেই পাওয়া যায়। সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও আর্থিক নিরাপত্তা সবার আগে।